সাফাই

মেলা থেকে বাঁশের বাঁশি বাজাতে বাজাতে বাড়ি ফিরেছি। সেই মেলায় আর ফেরা হয়নি। মেনে নিয়েছি সেই না-ফেরা। অনেক পরিবর্তন, বাস্তবতা কয়ে না-কয়ে গিলতে হয়েছে। অন্তর্জাল গেলা-ও তার একটি হতে পারে।
অমর একুশের তক্তায় দাঁড়িয়ে প্রথম কী উচ্চারণ করেছিলাম, তা আর মনে নেই। তারপরও একুশ এলে মনে আসে কথা আর কথা। তাই কোথায় কী ঘণ্টা বাজল, তার আওয়াজ কানে নিয়েই একুশের মাস—অর্থাৎ ফেব্রুয়ারির ১ তারিখেই কথার মুক্তি ঠিক করলাম।
এছাড়াও প্রকাশকের মাধ্যমে বই প্রকাশ করতে গিয়ে কোনো কোনো প্রকাশকের অন্যায্যতা আমার কাছে মনে হয়েছে প্রায় ফৌজদারি অপরাধ। সব বই বিক্রি হয়ে যাওয়ার হিসাব নিজে গুনে গুনে রাখার পরও এমনটি ঘটেছে। তবে ব্যতিক্রমও আছেন। সে কথা বলতে হবে বড় পরিসরে।
আমার জীবনের সবটাই শ্রমিক। সবটা মানে কতটা, তার কৈফিয়ত অন্য কোনো আসরে হবে। এ কারণে এক সহকর্মী শ্রমিক বোনকে মেলার উদ্বোধক হিসেবে রাজি করাতে পেরে সুখ পাচ্ছি।

কাজল কানন

মেলায় প্রকাশিত

রূহের ভিতর বহিছে তার দিদার

কাজল কানন

প্রচ্ছদ: খন্দকার নাছির আহাম্মদ
প্রথম প্রকাশ: একুশে একক বইমেলা ২০২৬
www.kajalkanan.com

বই সম্পর্কে

কবিতাগুলো কবিতা হয় না। কবিতাগুলো শিল্প-টিল্প না। কবিতাগুলো দেশি জাতের না। কবিতাগুলো চুপচাপ গাধা। কবিতাগুলো ডিমের ঝোলেই চলে। কবিতাগুলোর বেতন বাড়ে না। কবিতাগুলো বিচারহীনতায় ভরা। কবিতাগুলো ভোটে জিতে না। কবিতাগুলো গার্মেন্টসে যায় না। কবিতাগুলো পুলিশি ডরে থাকে। কবিতাগুলো যৌনপীড়ন করে। কবিতাগুলো বেকার যুবকের কাম। কবিতাগুলো শিশ্ন-সহিংসতা। কবিতাগুলো বনপোড়া ছাই। কবিতাগুলো পাহাড়িদের কান্না। কবিতাগুলো স্কুলঝরে পড়া। কবিতাগুলো বাণিজ্য সংস্থার দান। কবিতাগুলো মরা নারীর স্তন। কবিতাগুলো জাতিসংঘ চায় না।

কবির আরও বই

পালকে পালকে ছেয়ে গেছে ঘর

লেখক : কাজল কানন, প্রথম প্রকাশ : ফেব্রুয়ারি ২০১৭ স্বত্ব: খোশনে আরা খুশি প্রচ্ছদ : মামুন হোসাইন উৎসর্গ কবি আমিনুর

তোমার মধ্যে আমি কে

লেখক : কাজল কানন, প্রথম প্রকাশ: ফেব্রুয়ারি ২০১২ প্রকাশক: ফয়সল আরেফিন দীপন জাগৃতি প্রকাশনী ৩৩ আজিজ সুপার মার্কেট নিচতলা, শাহবাগ,

কীটদষ্ট জল

লেখক : কাজল কানন, প্রথম প্রকাশ : ফেব্রুয়ারি ২০১৬ স্বত্ব: খোশনে আরা খুশি প্রচ্ছদ : রাজীব রণন যারা আমার ঝুঁকিবহ

পাতার কোলাহল

লেখক : কাজল কানন, প্রথম প্রকাশ : ফেব্রুয়ারি ২০১৭ স্বত্ব: খোশনে আরা খুশি প্রচ্ছদ : মামুন হোসাইন উৎসর্গ কবি আমিনুর

বই না কিনেও জীবন পার করে দেওয়া যায়

Scroll to Top