আমার সব ক্ষুধা মিটে যায়— সম্পর্ক খাওয়ার ক্ষুধা মিটে না। সম্পর্ক খাওয়ায় আমার খামতি নাই। বিশেষ করে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক খেতে আমি খুবই ভালোবাসি। তবে শহুরে সম্পর্কগুলো খেতে বেশ সুস্বাদু। গ্রাম্য সম্পর্ক পেটে কম সয়। বমির সঙ্গে বেরিয়ে আসতে চায়। এগুলো কেমন যেন আঠার মতো দাঁতে-গালে প্যাঁচাইয়া যায়— খাওয়া যায় না। আমার খাদ্যে কোনো বেটা-বেটির তফাৎ নাই— সবই অন্ন। সম্পর্ক খাওয়ার

ছায়ালিপি: মন্ময় সাকিব
কাজল কানন
আধখানা ভোঁতা ব্লেডে যখন কাজ হচ্ছিলো না, তখন অনেকটা নখচেপেই নাড় কেটেছিলেন নূরজাহান দাই। জন্মের এই বয়ানটা দাইয়ের কাছেই শোনা। সেই নখর জীবন পার হতে পারিনি। অপর করতে পারিনি নাড়িছেঁড়া বেদনা। জন্ম থেকেই জীবন একটা যুদ্ধাবস্থা। তাও বোবাযুদ্ধ। তীক্ষ্ণ সূর্যের নিচে দাঁড়িয়ে ছায়া মোছার লড়াই।
লেখা পুরোনো হয় না, পুরোনো হয় পাঠ। আবার পাঠও পুরোনো হয় না, নয়া নয়া নিড়ানি দিয়ে যায় ফসলের গোড়ায়। বের হয় পাতা, থোড়, ছড়া। এই করে নয়া, নতুন হয়।

কবিতা
বোনের আমপারার পৃষ্ঠাগুলো যে জীবন আমরা রচিয়াছি কলবের অলীক আলয়ে মুছিয়াছি তারে সুবর্ণ স্কুলের দেয়ালে মায়া দুধের সরে নাচিছে বিশ্ব মরা দোয়েলের ডিম লইয়ে হাঁড় পাঁজরে ছেড়েছি যারে সেই প্রাচীন দুয়ারে বোনের আমপারার পৃষ্ঠাগুলো খুঁজবো দুভাই মিলে ৩০ মে ২০২৬ পোষাকথা তুমিও বউকে বদলাবা বদলাবে না দু’মনা আরও নিঃসঙ্গ হবে যার যার পোষাকথা

আলাপ
লেখা পুরোনো হয় না, পুরোনো হয় পাঠ। আবার পাঠও পুরোনো হয় না, নয়া নয়া নিড়ানি দিয়ে যায় ফসলের গোড়ায়। বের হয় পাতা, থোড়, ছড়া। এই করে নয়া, নতুন হয়।

কণাকবিতা
লেখা পুরোনো হয় না, পুরোনো হয় পাঠ। আবার পাঠও পুরোনো হয় না, নয়া নয়া নিড়ানি দিয়ে যায় ফসলের গোড়ায়। বের হয় পাতা, থোড়, ছড়া। এই করে নয়া, নতুন হয়।
প্রকাশিত বই
যে বইয়ের পৃষ্ঠা নেই, মূলত সেগুলোই পড়েছি আমি। নিরক্ষর অর্ধাক্ষর জীবন কোনোমতে ঠেলে চলেছি। জেলে নৌকায়, কারখানার ফটকে ফটকে ভাতের চাল কুড়ানো মানুষের দ্বারা কেমন বই হতে পারে আমার জানা নেই। এছাড়া যা বই হওয়ার নয়, তার পেছনেই ছুটেছে আমার সকল প্রেম। বইগুলোতে সামান্যই আছি আমি। অসামান্য আছি অপাঠ্যে
লেখক : কাজল কানন, প্রথম প্রকাশ : ফেব্রুয়ারি ২০১৭ স্বত্ব: খোশনে আরা খুশি প্রচ্ছদ : মামুন হোসাইন উৎসর্গ কবি আমিনুর
লেখক : কাজল কানন, প্রথম প্রকাশ: ফেব্রুয়ারি ২০১২ প্রকাশক: ফয়সল আরেফিন দীপন জাগৃতি প্রকাশনী ৩৩ আজিজ সুপার মার্কেট নিচতলা, শাহবাগ,
লেখক : কাজল কানন, প্রথম প্রকাশ : ফেব্রুয়ারি ২০১৬ স্বত্ব: খোশনে আরা খুশি প্রচ্ছদ : রাজীব রণন যারা আমার ঝুঁকিবহ
লেখক : কাজল কানন, প্রথম প্রকাশ : ফেব্রুয়ারি ২০১৭ স্বত্ব: খোশনে আরা খুশি প্রচ্ছদ : মামুন হোসাইন উৎসর্গ কবি আমিনুর
ভাবশাস্ত্র
গোধূলি মাড়িয়ে মাঠফেরত বাছুরটির মাতৃ-ওলান পাওয়ার অধিকারে আমি জাগরূক কি না, গাছে গাছে যে গুঞ্জন- বুনো হন্তারক হিসেবে আমার নাম তারা নেবে কি না; তাদের চোখে আমি পুঁজ আর পুঁজির পৃথিবীতে হেঁটে যাওয়া শেষজন কি না? সেই বিভাজন লাগবে।
কাজল কানন শুধু একজন লেখক নন, তিনি পথপ্রদর্শক। সত্যের শক্তিতে বিশ্বাসী একজন মানুষ, যার কাজ তরুণ সাংবাদিকদের অনুপ্রাণিত করে।
তিনি সাধারণকে অসাধারণ করে তুলতে জানেন। প্রতিটি লেখায় এমন এক ছোঁয়া থাকে যা পাঠকের মনে দীর্ঘদিন থেকে যায়।
অপ্রিয় হুঁসেলে উঠে পৌঁছে যাবো কোথাও না
কাজল কানন শব্দকে শুধু লেখেন না, শব্দকে জীবন্ত করে তোলেন। তার সম্পাদনায় লেখা যেন নতুন প্রাণ পায়।
ভিডিও
ছবিরা কথা হয়। কথারাও ছবি। ধরে রাখা থেকে চলে যাওয়ায় ব্যাপ্ত যে ছায়া, তাকে ডাকনামটায় ডাকি। যুদ্ধশিশুর অকালপ্রয়াত যে মা, তারও একটা ছবি আছে পৃথিবীর মনে। ঘাসে বসা ফড়িঙটার পাশেই বীজ ফোটার শব্দ, সেই ছবিটা থেকে কেন দূরে সরে যাও হে পৃথিবী
ছায়ালিপি
ছবিরা কথা হয়। কথারাও ছবি। ধরে রাখা থেকে চলে যাওয়ায় ব্যাপ্ত যে ছায়া, তাকে ডাকনামটায় ডাকি। যুদ্ধশিশুর অকালপ্রয়াত যে মা, তারও একটা ছবি আছে পৃথিবীর মনে। ঘাসে বসা ফড়িঙটার পাশেই বীজ ফোটার শব্দ, সেই ছবিটা থেকে কেন দূরে সরে যাও হে পৃথিবী





