প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, আনন্দ পেয়েছি।
দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান আওয়াজ দিয়ে গাছ লাগানোর কথা বলেন। গাছ যখন কাটা হয় তখন আর আওয়াজ পান না। এমনই দেখে আসছি বছর বছর। তবুও বলছি- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, আনন্দ পেয়েছি।
তুমিও বড় হবে, গাছটাও বড় হবে
‘তুমিও বড় হবে, গাছটাও বড় হবে। দেখবে গাছটা তোমার সবচেয়ে বেস্ট ফ্রেন্ড হয়ে দেখা দিবে একসময়। ওই গাছের সঙ্গে তুমি কথা বলতে পারবে। তুমি যেখানে থাকো, তুমি যেখানে মাঠে খেলো, তুমি যে বাসায় থাকো অথবা যেখানে থাকো, যেই স্কুলে পড়ো, যেই কলেজে পড়ো, ওখানে কোনো এক জায়গায় প্রত্যেকে প্রতিবছর একটা করে গাছের চারা রোপণ করবে।’
(২৯ জুন ২০২৬-এ বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এক অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে কথাগুলো বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।)
ছোটখাট মানুষ, আমার আনন্দও ছোটখাট। তাই প্রকাশ করলাম।
30.06.2026
বছর বছর বিড়ির দাম বাড়ানো হরেদরে জুলুমবাজি। দেশে কত ভাগ লোক বিড়ি খায় তার হিসাব আমার জানা নেই। তবে সব বিড়িখোর এক জায়গায় ভোট দিলে সরকারে কারা যেত, সেটি নিয়ে আমার কৌতূহল রয়েছে।
বিড়ি নিরুৎসাহিত করতে বৈজ্ঞানিক কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, আমার অজানা। মানুষের বিড়িনির্ভরতা কেন, সে বিষয়ে সঠিক কোনো গবেষণা আছে কি না জানি না। খোরের নাগালে যাতে বিড়ি না আসে- সেই ব্যবস্থাও চোখে পড়ে না।
রাষ্ট্র বিড়ি বিষয়ে মানুষের সঙ্গে চোর-পুলিশ খেলছে। সব উৎস খোলা রেখে বিড়িখোরদের পকেট কেটে অর্থশোষণে সরকার সহায়তা করছে বলে ধারণা করি। এতে কম আয়ের মানুষের ওপর জায়েজ রয়েছে জুলুমবাজি। ৫ টাকার সদাই কেন ২০ টাকায় কিনবে মানুষ!
16.06.2026
আমার সব ক্ষুধা মিটে যায়— সম্পর্ক খাওয়ার ক্ষুধা মিটে না। সম্পর্ক খাওয়ায় আমার খামতি নাই। বিশেষ করে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক খেতে আমি খুবই ভালোবাসি। তবে শহুরে সম্পর্কগুলো খেতে বেশ সুস্বাদু। গ্রাম্য সম্পর্ক পেটে কম সয়। বমির সঙ্গে বেরিয়ে আসতে চায়। এগুলো কেমন যেন আঠার মতো দাঁতে-গালে প্যাঁচাইয়া যায়— খাওয়া যায় না। আমার খাদ্যে কোনো বেটা-বেটির তফাৎ নাই— সবই অন্ন। সম্পর্ক খাওয়ার প্রতিভা আমার বিস্ময়কর।
এই নিয়ে রিনা খালার সঙ্গে আমার মিল রয়েছে। রিনা খালা ছোট কাকুকে খেয়ে একেবারে জটওয়ালা সাধু বানিয়ে ছেড়েছেন।
30.05.2026
